• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

STF

রাজ্য

এবার জঙ্গি-যোগ পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের যুবকের, চেন্নাই থেকে গ্রেফতার এসটিএফের

পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার পানাগড় ও নদীয়ার নবদ্বীপ থানার মায়াপুর মোল্লাপাড়া থেকে জঙ্গি যোগে গ্রেফতারের পর চেন্নাই থেকে এদের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে আরেকজনকে গ্রেফতার করল এসটিএফ। মঙ্গলকোটের ভালুক গ্রামের বাসিন্দা শেখ আনোয়ারকে বেঙ্গল এসটিএফ-এর দল খবর পেয়ে চেন্নাই থেকে গ্রেপ্তার করে আনা হয় দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে। দুর্গাপুর মহকুমা আদালত এই জঙ্গিকে ১৪ দিনের এসটিএফ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। সূত্র মারফত জানা যায়, ৪ বছর ধরে এই নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ ছিল তার। শেখ আনোয়ার কর্মসূত্রে চেন্নাইয়ে একটি লন্ড্রিতে কাজ করতো। আর জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেই কাঁকসার পানাগড় ও নবদ্বীপ থেকে যে দুজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ তাদেরকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে পর চেন্নাইয়ে শেখ আনোয়ারের খোঁজ পায়। বেঙ্গল এসটিএফ-এর একটি দল শেখ আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করে দুর্গাপুরে নিয়ে আসে এবং আনোয়ারকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্তের গতি আরও বাড়িয়ে নিয়ে যেতে চায় এসটিএফ। এই নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে শেখ আনোয়ার যুক্ত হয়ে কি কাজ করত সেটাও জানার চেষ্টা করছে এসটিএফ।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

কলকাতার কাছেই লক্ষ লক্ষ টাকার কোকেন সহ ভিন রাজ্যের ৩ সহ গ্রেফতার ৭

শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের একটি দল গোপনে ইকোস্পেস দ্বীপে আলিয়া ইউনিভার্সিটি বাস-স্ট্যান্ডের কাছে সার্ভিস রোডের কাছে অপেক্ষা করছিল। এলাকাটি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের টেকনোসিটি থানার অধীনে। কিছুক্ষণ পরে ছয় যুবক ঘটনাস্থলে আসে, চার চাকার আলট্রোজ টাটা গাড়িতে চারজন এবং একটি বাজাজ পালসার মোটর সাইকেলে দুজন এবং নিষিদ্ধ সামগ্রী নেওয়ার জন্য অন্য সপ্তম ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করে।জানা গিয়েছে, এসটিএফ সাতজনকে আটক করা হয় এবং তল্লাশির পর মোট ১৬৫ গ্রাম কোকেন বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে দুজন উত্তর প্রদেশ ও একজন বিহারের বাসিন্দা। বাকিরা কলকাতা সংলগ্ন এলাকাতেই থাকে। আগ্রার রাহুল সিং ও অবিনাশ কুমার, বিহারের মধুবনীর অভিষেক ঠাকুর রয়েছে এই চক্রে। লেকটাউনের ঋষি সাগর ও সান্টি সিং, বাগুইআটির প্রফুল্ল কাননের রিকি দত্ত ও রাহুল দত্ত। ধৃতদের বয়স ১৯ থেকে ২৬ বছর। একমাত্র রাহুলের বয়স ৩৭.জানা গিয়েছে, সাতজনের মধ্যে অভিষেক ঠাকুর এবং রাহুল দত্ত একটি মোটর সাইকেলে ছিলেন যেখানে অন্য চারজন ঋষি সাগর, রাহুল সিং, রিকি দত্ত এবং সন্টি সিং একটি চার চাকার গাড়িতে আসছিলেন এবং চালানটি গ্রহণ করতে অবিনাশ কুমারের সাথে দেখা করেছিলেন। মোট ১৬৫ গ্রাম কোকেনসহ সাতজনকেই হাতেনাতে ধরা হয়। বাজেয়াপ্ত মাদকদ্রব্যের বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৫ লাখ টাকা। ধৃতদের হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়েছে। হাওড়ার এক এনডিপিএস মামলায় এই ধরপাকর বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে জাল নোটের কারবারীর ডেরাতে বাংলাদেশের বই উদ্ধার, এনআইএ তদন্তের দাবী বিজেপির

সাত বছর আগে বর্ধমানের খাগড়াগড়ে ঘটা বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই জেএমবি জঙ্গী নিহত হওয়ার পরেই মিলেছিল বাংলাদেশ যোগ। সেই খাগড়াগড়ে যে জালনোট তৈরির কারখানা চলছিল তার পিছনেও কি বাংলাদেশ যোগ রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে জাল নোট কাণ্ডে ধৃতদের নেওয়া খাগড়াগড়ের ভাড়া বাড়িতে শনিবার রাত থেকে রবিবার সারাটা দিন অনুসন্ধান চালিয়ে যায় এসটিএফ। উত্তর এখনও স্পষ্ট না হলেও ধৃতদের ভাড়া নেওয়া বাড়ি থেকে বাংলাদেশের একটি বই উদ্ধার হওয়ায় বাংলাদেশ যোগের জল্পনা জোরালো হয়েছে। তা জানার পরেই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবীতে স্বোচ্চার হয়েছে বিজেপি। তবে এসটিএফের অনুসন্ধানে শেষ পর্যন্ত কি উঠে আসে সেদিকেই এখন তাকিয়ে বর্ধমানবাসী।বর্ধমানের খাগড়াগড়ের নাম প্রথম খবরের শিরোনামে আসে ২০১৪ তে। ওই বছরের ২ অক্টোবর খাগড়াগড়ে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ড। সে বিস্ফোরণে নিহত হন দুই জেএমবি জঙ্গী শাকিল গাজী ও করিম শেখ। জখম হন আরো একজন। ঘটনা নিয়ে এনআইএ তদন্তে নামার পরেই প্রকাশ্যে আসে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গী জামাতুল মুজাহিদীনের (জেএমবি) সদস্য। খাগড়াগড়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখান থেকেই তারা জেহাদি কাজকর্ম চালাচ্ছিল। এনআইএ-র তদন্তে এই তথ্য উঠে আসায় দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। সেই ঘটনার পর সাত বছর কাটতে না কাটতে এবার জাল নোটের কারবারের পর্দা ফাঁস ঘিরে এখন সরগরম খাগড়াগড়।বর্ধমান থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খাগড়াগড়ের পূর্ব মাঠপাড়ার সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেয়। তাঁর বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকা ব্যক্তিদের ঘরেই মেলে জাল (নকল) নোট তৈরির কারখানার। উদ্ধার হয় জাল নোট ছাপার মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম, জাল ১২ হাজার ৫০০ টাকার নোট, নোট তৈরীর ডাইস, পাউডার ও কেমিক্যাল। জাল নোট তৈরির কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে ওইদিনই ওই বাড়ি থেকে পুলিশ গোপাল সিং, বিপুল সরকার ও দীপঙ্কর চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে।বাংলাদেশী বই উদ্ধারধৃতদের মধ্যে দীপঙ্কর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাসিন্দা হলেও বাকী দুই ধৃত গোপাল সিং এবং বিপুল সরকার বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পারে। পরদিন ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। জাল নোটের কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে এবং চক্রে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার জন্যে পুলিশ হেপাজতে নেওয়া ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। ঘটনা নিয়ে খোঁজ খবর নিতে সিআইডি আসরে নামে। পরে শনিবার রাত থেকে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স অর্থাৎ এসটিএফ। একের পর এক অপরাধ মূলক কাজে খাগড়াগড়ের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় অসন্তুষ্ট খাগড়াগড়ের স্থায়ী বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, ভাড়াটিয়াদের জন্যেই বদনাম হচ্ছে খাগড়াগড়বাসীর। এবার থেকে ভাড়াটিয়াদের ব্যাপারে সমস্ত খাগড়াগড়বাসী যাতে সতর্ক হয় সেই ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় ভাবনাচিন্তা করছে করছে এলাকার বাসিন্দারা।এরই মধ্যে জেলা বিজেপি নেতারা আবার খাগড়াগড়ে জাল নোট তৈরির কারখানা চলার বিষয়টি নিয়ে এনআইএ তদন্তের দাবী তুলে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র নামে বর্ধমানের এক বিজেপি নেতা সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে দাবি করেছেন জাল নোটের কারবারী গোপাল সিং বর্ধমানের তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ট। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে বর্ধমান শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি খো খো খেলার মঞ্চে থাকা চেয়ারে বসে রয়েছেন বর্ধমানের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতারা। আর ওইসব নেতাদের পাশেই একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক ব্যক্তি। তাঁকেই জালনোটের কারবারী চক্রের মূল পাণ্ডা গোপাল সিং বলে দাবী করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস, বিডিএর ভাইস চেয়ারম্যান আইনুল হক ও জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের প্রাক্তন যুবসভাপতি রাসবিহারী হালদারের পাশে আছে ধৃত গোপাল সিং ভাইরাল হওয়া এই ছবি নিয়েই এখন সরগরম বর্ধমানের রাজনৈতিক মহল।জেলা বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র দাবী করেছেন,খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ডেও তৃণমূলের যোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেই খাগড়াগড়ে ফের জাল নোটের কারবারের হদিশ উদ্ধারের পর থেকেই একই ভাবে তৃণমূলের যোগ থাকার আশংকা তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে জাল নোটের কারবারের মূল চক্রী গোপাল সিং এর দাঁড়িয়ে থাকায় ছবি সেই আশঙ্কাকেই সত্যি করে তুলেছে। পাশাপাশি তিনি এনআইএ কে দিয়েই খাগড়াগড়ের জাল নোট কারবারের তদন্ত করানোর দাবী তুলেছেন।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার মুখপত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, এখন সবই তৃণমূল। সুতরাং খেলার মাঠে আমাদের পাশে কে দাঁড়িয়ে থাকবে তা জানার কথা নয়। মিথ্যা অভিযোগ করাই বিজেপির কাজ। পুলিশ তদন্ত করছে। সব সত্যি বের হবে তৃণমূলের বদনাম করতে বিজেপি নেতারা এইসব করছে। তা নিয়ে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে পুলিশ তদন্ত করছে। সব সত্যি সামনে আসবে বলে প্রসেনজিৎ বাবু জানিয়েছেন।বদনামের ভাগিদার হল খাগড়াগড়। এইসব নিয়ে এলাকাবাষীয় যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন। ধৃতদের কড়া শাস্তির দাবী করেছেন খাগড়াগড়ের আদি বাসিন্দারা। ধৃত গোপাল সিং এর বাড়ির পরিচারিকা জানান, পুলিশ এসে বাড়ি থেকে দুটি সাদা কাগজ ভর্তি ব্যাগ নিয়ে গেছে।

মে ২৩, ২০২২
রাজ্য

হেরোইনের পর এবার কুইন্টাল কুইন্টাল আন্তরাজ্য গাঁজা কারবারের পর্দা ফাঁস পূর্ব বর্ধমানে

কিছুদিন আগে শহর বর্ধমানে চলা হেরোইনের আন্তরাজ্য কারবারী চক্রের পর্দা ফাঁস করেছে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। এবার পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে অভিযান চালিয়ে এসটিএফ আন্তরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের পর্দা ফাঁস করলো। রবিবার ভোরে পূর্বস্থলীর শিবতলা এলাকায় চলা এসটিএফের অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ট্রাকে ভর্তি বিপুল পরিমান গাঁজা। গ্রেফতার হয়েছে গাঁজা কারবারে কিংপিন সহ পাঁচ জন। গাঁজা কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে এবং চক্রে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে এসটিএফ। এই ঘটনা ফের একবার প্রমাণ করে দিল মাদক কারবারীদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি সম্পর্কে জেলা পুলিশ সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ছিল।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁজা ভর্তি একটি ট্রাক মণিপুর রাজ্য থেকে পশ্চিম বাংলার পূর্বস্থলী যাচ্ছে এমন খবর গোপন সূত্রে এসটিএফের কাছে পৌছায়।এই খবর পাওয়ার পরেই বাংলার এসটিএফের আধিকারিকরা নড়ে চড়ে বসেন। তাঁরা পূর্বস্থলীর শিবতলা এলাকা নিবাসী মরন বালার বাড়ি ও আশপাশ এলাকায় নজরদারি বাড়ায়। রবিবার ভোর রাতে ১২ চাকার একটি ট্রাক মরন বালার বাড়ি সামনে দাঁড়াতেই স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা অভিযানে নেমে পড়েন। ট্রাকে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ গাঁজা।এসটিএফের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ ৮২৪ কেজি। গাঁজা উদ্ধারের পরেই এসটিএফ ওই ট্রাকের চালক ও খালাসীকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি গাঁজা কারবারী মরন বালা ও তাঁর ছেলে শুভ বালাকে আটক করে জেরা শুরু করে। আন্তরাজ্য গাঁজা কারবারের কিংপিন মরন বালা ও তাঁর ছেলে জেরার গাঁজা আমদানির কথা কবুল করার পরেই এসটিএফ তাঁদের গ্রেফতার করে। তাঁদের এক শাগরেদকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ট্রাক ও উদ্ধার হওয়া গাঁজা এসটিএফ বাজেয়াপ্ত করেছে বলে ওই আধিকারিক জানিয়েছেন। এসটিএফের অভিযানে আগেও বিপুল মরিমান গাঁজা সহ মরন বালা গ্রেফতার হয়েছিল। দীর্ঘদিন জেল খাটার পর ছাড়া পেয়ে মরন বালা পুনরায় আরও বড় আকারে গাঁজা কারবার শুরু করেছে বলে মনে করছেন এসটিএফ আধিকারিকরা।পূর্বস্থলীর শিবতলা এলাকার বাসিন্দা তারক দেবনাথ এদিন জানান, তাঁদের এলাকার মরন বালার একতলা বাড়ির গোটাটাই ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় মোড়া। বাড়িতে কাউকে ঢুকতে দেন না মরন বালা। এমনকি ওনাদের বাড়িতে কারুর উঁকিঝুঁকি মারার উপক্রম নেই।সেই কারণে কেউ বুঝে উঠতে পারতেন না মরন বালা বাড়িতে আসলে কি করেন। এলাকা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে , মরণ বালা ও তাঁর ছেলে শুভ পূর্বস্থলীতে একটি হোটেল চালাতো। তাদের মার্কেট কমপ্লেক্সও রয়েছে। গাঁজা কারবারের বিষয়টি আড়াল করতেই হয়তো মরন বালা হোটেল ব্যবসা ফেঁদেছে বলে এদিন আশঙ্কা প্রকাশ করেন শিবতলার বাসিন্দারা।এসটিএফ এই প্রথম পূর্ব বর্ধমানে চলা আন্তরাজ্য মাদক কারবারের পর্দা ফাঁস করলো এমনটা নয়। গত ৯ জানুয়ারি রাতে শহর বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড় সংলগ্ন এলাকার একটি বাড়িতে হানা দিয়ে এসিটিএফ ১৩ কেজি হেরোইন ও হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ এবং ২০ লক্ষাধিক টাকা বাজেয়াপ্ত করে। উদ্ধার হওয়া হেরোইনের মূল্য ৬৫ কোটি টাকা বলে এসটিএফের তরফে দাবি করা হয় । এই ঘটনায় বর্ধমানের বাড়ি থেকে এসটিএফ হেরোইন কারবারী বাবর মণ্ডল ও তাঁর ছেলে রাহুল মণ্ডলকে গ্রেফতার করে । তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এসটিএফ আধিকারিকরা জানতে পারেন বর্ধমানের বাড়িতে হেরোইন তৈরি করে বাবর ও তাঁর ছেলে মণিপুর ও ওড়িশায় পাচার করতো। এই ঘটনার পর ২০ দিন কাটতে না কাটতে রবিবার পূর্বস্থলীর গাঁজা কারবারীর ডেরার হানা দিয়ে এসটিএফ বিপুল পরিমান গাঁজা সহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করলো। এসটিএফের একের পর এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের ঘটনা জেলা পুলিশের টনক নড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
রাজ্য

STF Operation Burdwan: বর্ধমানে এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য

স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অভিযানে ফাঁস হল হেরোইন তৈরি ও পাচারের সঙ্গপ যুক্ত আন্ত রাজ্য চক্রের।অভিযানে ধরা পড়েছে মোট ৬ জন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে এসটিএফ রবিবার রাতে ধরে বর্ধমানে বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে। পৌরসভা ভোটের আগে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকা থেকে ধৃতদের নাম বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডল। এঁরা সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। এই দুই ধৃতর আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গকোটে। তবে ১০ বছর আগে সেখান থেকে চলে এসে তাঁরা ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বর্ধমানে পালার- শ্রীরামপুর এলাকায় থাকতে শুরু করে। পরে তাঁরা শহর বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে বাড়ি ক্রয় করে। রবিবার রাতে এসটিএফ বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের বর্ধমানের ডেরায় অভিযান চালিয়ে ১৩ কেজি হেরোইন ও হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ রাজেয়াপ্ত করেছে। যার আনুমানিক মূল্য ৬৫ কোটি টাকা বলে এসটিএফের দাবি। এছাড়াও ধৃতদের ডেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ লক্ষ ১০ হাজার ১০০ টাকা। বাকি চার ধৃতর মধ্যে ২ জন ওড়িশা ও ২ জন মণিপুরের বাসিন্দা। এদের বিষয়ে হাওড়ার গোলাবারি থানা মামলা রুজু করেছে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট মামলার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন বাবর মণ্ডল ও তাঁর ছেলে বর্ধমানের ডেরার হেরোইন তৈরি করে ওড়িশা ও মণিপুরে পাচার করতো।আরও পড়ুনঃ করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তাতদন্তকারীদের কথায় জানা গিয়েছে, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার রুজু হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরে এসটিএফ ওড়িশা ও মণিপুর থেকে ৪ মাদক-পাচারকারীকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন বর্ধমানের দুজনের কাছ থেকে তাঁরা মদক দ্রব্য কেনে। বর্ধমানের মাদক কারবারীদের ৫ জন এজেন্ট ওড়িশাতে থাকার কথাও জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে। এমনকি বর্ধমানে দৈনিক ৪-৫ কোটি টাকার মাদক তৈরি হয়ে পাচারের তথ্যও তদন্তকারীদের কাছে উঠে আসে। এরপরেই রবিবার রাতে এসটিফ কর্তা আমিনুল ইসলাম খাঁনের নেতৃত্বে বর্ধমানের গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের ডেরায় অভিযান চালানো হয়।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নএসটিএফের দাবি বাবর ও রাহুলদের বর্ধমানের ডেরা থেকে ১৩ কেজি হেরোইন, হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ ও নগদ ২০ লক্ষাধিক টাকা ছাড়াও টাকা গোনার যন্ত্র এবং অন্যান সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। দুটি বাড়ির ভিতরে বস্তাবন্দি করে বড় বড় প্লাস্টিক ড্রামের ভিতর হেরোইন ও অন্যান্য সামগ্রী লুকিয়ে গুলি রাখা ছিল। তদন্তকাীরা জেনেছেন, বর্ধমানে বাবর ও রাহুলের গোপন ডেরায় যে হেরোইন তৈরি হত তার কাচা মাল আসতো মণিপুর থেকে। হেরোইন তৈরি হওয়ার পর তা পাচারের জন্য দেওয়া হত ওড়িশার এজেন্টদের হাতে। হেরোইনের কারবার চক্রে বর্ধমানের আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা সেই বিষয়টি নিয়েও এসটিএফ খোঁজ খবর চালাচ্ছে।হেরোইনের কারবারের বিষয়ে বর্ধমান অভিযান চালিয়ে এসটিএফ প্রচুর হেরোইন সহ দুজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেলেও পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ এই বিষয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ছিল। এদিন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় বলেন, এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারবো না।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

Kolkata Police CP: কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার হচ্ছেন বিনীত গোয়েল

কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার হতে চলেছেন বিনীত গোয়েল। সৌমেন মিত্রের জায়গায় আসছেন তিনি। অন্যদিকে দায়িত্ব বাড়ল জ্ঞানবন্ত সিংয়ের। মহানগরীর নতুন কমিশনার পদের দৌঁড়ে বিনীতের সঙ্গে তিনিও ছিলেন। জ্ঞানবন্তকে দেওয়া হয়েছে সিআইডি-র এসটিএফ-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব। এ ছাড়া, শিলিগুড়ির বর্তমান পুলিশ কমিশনারেট অমিতাভ মাইতিকে মালদহের পুলিশ সুপার পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।৩১ ডিসেম্বর কলকাতায় নগরপালের পদ থেকে অবসর নেবেন সৌমেন। তার পরই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বিনীত। তিনি বর্তমানে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স এবং দুর্নীতি দমন শাখার দায়িত্বে আছেন। কলকাতা পুলিশে বিনীতের যথেষ্টই সুনাম রয়েছে বলে জানা যায়। গত জুন মাসে নিউটাউনে দুই কুখ্যাত পঞ্জাবী গ্যাংস্টারকে এনকাউন্টারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ১৯৯৪ ব্যাচের এই আইএএস অফিসার বিনীত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। এ বার তিনি কলকাতা পুলিশের নেতৃত্ব দিতে চলেছেন।কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পদে আসতে চলেছেন বর্তমানে মালদহ রেঞ্জের ডিআইজি প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী। কমিশনারের পদ থেকে অবসর নিয়ে ডিজি ট্রেনিং ওএসডি-র দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন সৌমেন।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

JMB-Link man: জেএমবি-কাণ্ডে ধৃত মূল লিঙ্কম্যান

কলকাতায় জেএমবি যোগে গ্রেপ্তার হয়েছে মূল লিঙ্কম্যান (Kolkata JMB)। বারাসত থেকে এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছে তাকে। ধৃতের নাম রাহুল সেন ওরফে লালু সেন।সম্প্রতি কলকাতার হরিদেবপুর থেকে জেএমবি-র যে মডিউল গ্রেপ্তার হয়েছে, তার লিঙ্কম্যান হিসাবে কাজ করত লালু। ধৃত তিন জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ই লালুর নাম উঠে আসে। লালু তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট দিত। এই তিন জনের যাবতীয় ভুয়ো নথি অর্থার জাল আধার-ভোটার কার্ড তৈরি করে দেওয়ার ক্ষেত্রে লালুর বড় ভূমিকা ছিল। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা, তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা-সবই করে দিত লালু।আরও পড়ুনঃ রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার আইএসআই চরধৃত ৩ জঙ্গিকে সমস্ত ধরনের আর্থিক সহযোগিতা করত লালু। জানা যাচ্ছে, সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় লালু সেন। নথি ছাড়াই মানুষকে এপার থেকে ওপার পৌঁছে দেওয়া বা সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন জিনিসের আদানপ্রদান- এসব করত লালু। সেই সূত্রেই তিন জঙ্গির সঙ্গে তার আলাপ। পরবর্তীকালে তিন জনকে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করেছে লালু। এই চক্রে আরও কে কে জড়িত, আর কার কার নথি লালু তৈরি করেছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।এই কাজের জন্যে ধৃতরা প্রত্যেকেই একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। বিভিন্ন নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রচার চালানোর জন্য ব্যবহার করা হত একাধিক মোবাইল ফোন। ভুয়ো নথি দিয়ে সিম কার্ড তুলে সেই সব ফোন ব্যবহার করা হত বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এসটিএফের হাতে ধরা পড়ার আগেই ধৃতরা নিজেদের ব্যবহৃত বেশ কিছু মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড সরিয়ে ফেলে। সেই সব মোবাইল ফোন ও সিমকার্ডের হদিশ পেতে চান গোয়েন্দারা।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

China Citizen: হানের আইফোন খুলতে সক্ষম এসটিএফ, উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

অবশেষে চিনা চর হান জুনেইয়ের আইফোনের (iPhone) লক খুলতে সক্ষম হল এসটিএফ (STF)। ধৃতের ল্যাপটপ থেকেও কিছু তথ্য মিলেছে। ভারতে হানের নেটওয়ার্কের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পেয়েছেন গোয়েন্দারা। আরও পড়ুনঃ উইঘুর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের পুলিশ জানিয়েছে, মালদহের সীমান্ত থেকে হান জুনেইকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি আইফোন-সহ তিনটি মেবাইল ও তিনটি ল্যাপটপ। ওই তিনটি মোবাইলে ছিল চারটি সিমকার্ড। তার মধ্যে একটি বাংলাদেশের, একটি ভারত ও দুটি চিনের। মালদহ (Maldah) জেলা পুলিশও তার মোবাইল ও ল্যাপটপ খোলার চেষ্টা করে। কিন্তু চিনের ম্যান্ডারিন ভাষায় থাকা ওই পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করা যাচ্ছিল না। রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স চিনা হানকে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার পর তার ল্যাপটপ ও মোবাইলের পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করার চেষ্টা করে। অবশেষে তা সম্ভব হয়েছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে আইফোনটি খতিয়ে দেখেছেন গোয়েন্দারা। ওই ফোনের মাধ্যমে তার ভারতের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হয়। একটি বেসরকারি সংস্থার অংশীদার হয়ে টাকা জালিয়াতির কারবার শুরু করে হান। যে পদ্ধতিতে চিনা চক্রটি জলিয়াতি করে, তাতে তার ভারতের কয়েকটি কোম্পানির প্রয়োজন ছিল। হায়দরাবাদের একটি সংস্থার মাধ্যমে হান জালিয়াতি করত। হানের এক সঙ্গী প্রশান্ত পৌত্তলিকে হায়দরাবাদ থেকে ভিনরাজ্যের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু আরও এক সঙ্গী তথা অংশীদার আবদুল রেজ্জাক পালিয়ে বেড়াচ্ছে, জানতে পেরেছেন রাজ্য পুলিশের এসটিএফের গোয়েন্দারা। ওই ব্যক্তি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিলেও চিনা জালিয়াতিতে সাহায্য করত সে। রেজ্জাক হানের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে অনেক তথ্য জানে বলে নিশ্চিত গোয়েন্দারা।উল্লেখ্য, এই মাসেই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চিনা জালিয়াতি চক্রের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দাকেই অংশীদার করে ও মোটা টাকা দিয়ে নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে চিনা জালিয়াতরা। এই রাজ্যে যে চিনা জালিয়াতি চক্র ফাঁদ পেতেছে, সেই ব্যাপারেও গোয়েন্দারা নিশ্চিত। এখানেও রয়েছে তাদের নেটওয়ার্ক। এই রাজ্যে তাদের নেটওয়ার্কে কারা রয়েছে, গোয়েন্দারা তা জানার চেষ্টা করছেন। গোয়েন্দাদের মতে, আইফোন ও নেটওয়ার্ক দেখে তা জানা সম্ভব। এ ছাড়াও দেশের কোনও সরকারি আধিকারিক বা কর্মীর সঙ্গে চিনা জালিয়াতরা যোগাযোগ রাখত কি না, সেই তথ্যও জানার চেষ্টা হচ্ছে মোবাইলগুলি থেকে।

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

বীরভূম থেকে গ্রেফতার এক জঙ্গি

বীরভূম জেলা থেকে এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হল। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপন অভিযান চালিয়ে এসটিএফ ওই জঙ্গিকে পাইকর থানার কাবিলনগর থেকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, খাগড়াকাণ্ডের পর থেকেই এসটিএফের নজরে ছিল বীরভূমের পাইকর থানা এলাকার কাবিলনগরের বাসিন্দা নাজিবুল্লা। তাকে নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। মাস খানেক আগে এসটিএফের তরফে যোগাযোগ করা হয় পাইকর থানার সঙ্গে। জানানো হয়, সাকিব আলি নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে নাজিবুল্লার। সেখান থেকে দেশবিরোধী নানা প্রচারের অভিযোগও ওঠে ধৃতের বিরুদ্ধে। আরও পড়ুন ঃ জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, মুখ্যসচিব - ডিজিকে তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পাইকর থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়, নাজিবুল্লার আচরণের উপর নজর রাখতে। এরপর বৃহ্স্পতিবার বীরভূমের কাবিলনগরে পৌঁছয় এসটিএফের আধিকারিকরা। গ্রেপ্তার করে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে। গ্রেপ্তারির পাশাপাশি একটি ল্যাপটপ, কম্পিউটার, সিপিইউ-সহ বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিক গেজেট বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ধৃত ওই জঙ্গী নাজিবুল্লাহ(আনুমানিক ৫০ বছর) জেএমবি সংগঠনের সাথে সক্রিয় ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি একটি ছাপাখানার মালিক বলে জানা যায়। তাকে আজ আদালতে তোলা হবে জানা গেছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

বিস্ফোরণস্থলে বিজেপির প্রতিনিধিদলকে ঢুকতে বাধা পুলিশের

সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার তদন্তে নামল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করেন, ঘটনাস্থলের ছবি তোলেন। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের যাওয়ার কথা থাকলেও, এদিন যাননি তাঁরা। এনআইএ এখনও সেখানে যাবে কি না, তা স্থির হয়নি। এ বিষয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়ার বক্তব্য, কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ধরেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তা স্পষ্ট হলে তবেই নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের হবে। অন্যদিকে , শুক্রবার বেলায় সেখানে হাজির হয় কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদল। দলে ছিলেন কংগ্রেসের ছয় বিধায়ক। তাঁরা প্রত্যেক মৃতের পরিবারের কাছে যান। দলের তরফে প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আহতদের পরিবারপিছু ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়।কংগ্রেসের তরফে বিজেপি ও রাজ্যপালের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর এদিকে , মালদহের সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানার বিস্ফোরণস্থলে বিজেপি প্রতিনিধিদল যেতে বাধা দেওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে এলাকাটি দ্বিস্তরীয় বলয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ফলে সেই ব্যারিকেড পেরতে বাধা দিয়েছে পুলিশও। আর তাতেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ওখানে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তার কারণ, বিজেপি প্রতিনিধিরা গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথাবার্তা বলে আসল সত্যটা জানত, তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে এখন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃ্ত্বে ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেত্রী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরি। বিজেপি প্রতিনিধিরা কারও সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পাড়ারই কয়েকজন যুবক তাঁদের ঘিরে ধরে জিজ্ঞেস করেন, এমন অসময়ে কেন এসেছেন তাঁরা? কার সঙ্গেই বা কথা বলবেন? কথা না বলতে পারলে আসল ঘটনা জানবেনই বা কীভাবে? এসব প্রশ্নে জর্জরিত করে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে কার্যত এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি এনআইএ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal